অরুণ প্রকৃতিবাদী
ভাষ্যকার
প্রকৃতিবাদ ও প্রকৃতিতন্ত্র
(তৃতীয় পর্ব) “একজিমাতে এবং অন্য যে কোন চর্মরোগ, চুলকানিতে নোনতা খাবার, পাতে নুনের ব্যবহার মারাত্মক ক্ষতি করে। লবণ খাওয়া চলতে থাকলে
কিছুতেই কোন চর্মরোগ সারে না। ওষুধ ও মলম ইত্যাদির প্রয়োগে চর্মরোগ চাপা পড়ে, সারে না। পরে আরও বীভৎস আকারে ঐ রোগ ফিরে আসে। লবণ বর্জন করলে এর থেকে মুক্তি সম্ভব।
যখন কোন মানুষের স্বাস্থ্য ভেঙ্গে পড়ে,
যখন সে তার শরীরের ভেতর জমে ওঠা নানা দূষিত
আবর্জনা শরীর থেকে বাইরে দূর করে দিতে পারে না তখন সে প্রাণবিনাশী কিছু রোগ যেমন ক্যান্সার, এইড্স্ ইত্যাদিতে আক্রান্ত হয়। শরীরের এ ধরণের অসহায় অবস্থায় যদি লবণ পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়া না
হয় তবে তার আরোগ্যের কোন আশা থাকবে না। ক্যান্সার রোগাক্রান্ত ব্যক্তি যদি লবণ খাওয়া পুরোপুরি বর্জন
না করে তার রোগ কোনভাবেই সারবে না বা তেমন উপশমও হবে না। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে ক্যান্সার এক ধরণের ছত্রাক জাতীয় বৃদ্ধি। যদি একথা সত্যি হয় তবে ক্যান্সার রোগী লবণ খেতে থাকলে তার রোগ
আরও ভয়ানকভাবে বেড়ে যাবে। যারা ছত্রাক চাষ করে তারা পর্যাপ্ত পরিমাণে ছত্রাক বাড়ানোর জন্য ছত্রাকের জন্মক্ষেত্রে
উষ্ণ লবণগোলা জল বারে বারে ছিটিয়ে দেন। তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা বলে যে এই লবণ-জল তাদের ছত্রাক (Mushroom) ফলন প্রভূত পরিমাণে বৃদ্ধি করে। এটাই যদি ঘটনা তাহলে ছত্রাক জাতীয় ক্যান্সার রোগে লবণ ব্যবহার
করলে রোগ বাড়তেই থাকবে।

