Pages

Ads 468x60px

Saturday, October 20, 2012

প্রসঙ্গ-লবণ (তৃতীয় পর্ব)

অরুণ প্রকৃতিবাদী
ভাষ্যকার
প্রকৃতিবাদ ও প্রকৃতিতন্ত্র

(তৃতীয় পর্ব) একজিমাতে এবং অন্য যে কোন চর্মরোগ, চুলকানিতে নোনতা খাবার, পাতে নুনের ব্যবহার মারাত্মক ক্ষতি করেলবণ খাওয়া চলতে  থাকলে কিছুতেই কোন চর্মরোগ সারে নাওষুধ ও মলম ইত্যাদির প্রয়োগে চর্মরোগ চাপা পড়ে, সারে নাপরে আরও বীভস আকারে ঐ রোগ ফিরে আসেলবণ বর্জন করলে এর থেকে মুক্তি সম্ভব

যখন কোন মানুষের স্বাস্থ্য ভেঙ্গে পড়ে, যখন সে তার শরীরের ভেতর জমে ওঠা নানা দূষিত আবর্জনা শরীর থেকে বাইরে দূর করে দিতে পারে না তখন সে প্রাণবিনাশী কিছু রোগ যেমন ক্যান্সার, এইড্স্ ইত্যাদিতে আক্রান্ত হয়শরীরের এ ধরণের অসহায় অবস্থায় যদি লবণ পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়া না হয় তবে তার আরোগ্যের কোন আশা থাকবে নাক্যান্সার রোগাক্রান্ত ব্যক্তি যদি লবণ খাওয়া পুরোপুরি বর্জন না করে তার রোগ কোনভাবেই সারবে না বা তেমন উপশমও হবে নাঅনেক বিশেষজ্ঞের মতে ক্যান্সার এক ধরণের ছত্রাক জাতীয় বৃদ্ধিযদি একথা সত্যি হয় তবে ক্যান্সার রোগী লবণ খেতে থাকলে তার রোগ আরও ভয়ানকভাবে বেড়ে যাবেযারা ছত্রাক চাষ করে তারা পর্যাপ্ত পরিমাণে ছত্রাক বাড়ানোর জন্য ছত্রাকের জন্মক্ষেত্রে উষ্ণ লবণগোলা জল বারে বারে ছিটিয়ে দেনতাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা বলে যে এই লবণ-জল তাদের ছত্রাক (Mushroom) ফলন প্রভূত পরিমাণে বৃদ্ধি করেএটাই যদি ঘটনা তাহলে ছত্রাক জাতীয় ক্যান্সার রোগে লবণ ব্যবহার করলে রোগ বাড়তেই থাকবে

Monday, September 3, 2012

প্রসঙ্গ-লবণ (দ্বিতীয় পর্ব)

অরুণ প্রকৃতিবাদী
ভাষ্যকার
প্রকৃতিবাদ ও প্রকৃতিতন্ত্র

প্রসঙ্গ-লবণ
 আদিম মানুষ যা খেত তার মধ্যে যে পরিমাণ সোডিয়াম  থাকত   তাতেই   তার   প্রয়োজন  মিটে  যেত; পট্যাশিয়াম অনেক সময়  বেশি  হয়ে যেত, কারণ ফলপাকড় আর শাকসবজিতে প্রচুর পট্যাশিয়াম থাকেএখন, শরীরে সোডিয়াম আর পট্যাশিয়ামের মধ্যে সমতা রাখতে হলে যেটুকু সোডিয়াম পাওয়া গেছে তা ধরে রাখতে হবে আর বাড়তি পট্যাশিয়াম বার করে দিতে হবেদেহের মধ্যে আপনা থেকে সেই ব্যবস্থাই হল- দেহের দুটি কিডনি আর সেই কিডনি দুটিকে চালায় যেসব রাসায়নিক তারা সোডিয়াম ধরে রাখতে আর বাড়তি পট্যাশিয়াম বার করে দিতে শিখলতার পরে আর সমস্যা রইল না



কিন্তু আজ আমরা যা খাই, মনুষ্যদেহ তার জন্য তৈরি হয় নিআদিম মানুষের খাদ্য যা ছিল তার জন্য তার দেহযন্ত্র তৈরি হয়ে গিয়েছিলআদিম মানুষের দেহযন্ত্রই আমাদের শরীরে বহাল আছে অথচ খাদ্যের ধারা পাল্টে গেছেসুতরাং দেহযন্ত্রে যে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ছিল তা নষ্ট হয়ে গেছে১২

Saturday, September 1, 2012

প্রসঙ্গ-লবণ (প্রথম পর্ব)



অরুণ প্রকৃতিবাদী
ভাষ্যকার
প্রকৃতিবাদ ও প্রকৃতিতন্ত্র

প্রসঙ্গ-লবণ
লবণের রাসায়নিক নাম সোডিয়াম ক্লোরাইডমানুষের ইতিহাসে লবণের ব্যবহার খুব কম দিনের নয়ঠিক কবে কোথায় কীভাবে মানুষের খাদ্যে লবণের ব্যবহার শুরু হয়, স্পষ্ট করে জানা যায় নাতবে মোটামুটি জানা গেছে, আজ থেকে অন্তত ৫,০০০ বছর আগে মানুষ তার খাদ্যে লবণ ব্যবহার করেছেতখন লবণ মানুষের খাদ্যে একটা অতি প্রয়োজনীয় উপাদান ছিলসমাজে লবণের মর্যাদা ছিল অনেক উঁচুতে

সংস্কৃতে ও তদ্ভব শব্দে লবণের ব্যুপত্তি এক নয়এ থেকে মনে হয়, ইন্দো-ইউরেশীয়রা তাদের প্রথম দেশত্যাগের সময় লবণের ব্যবহার জানত না।  যা-ই হোক, মানুষের প্রথম সভ্যতায় লবণ যে লভ্য ছিল তা মনে করার কারণ আছেহোমার লবণকে ‘divine’ বলেছেন

উচ্চবর্গের প্রাণী আর মানুষের ক্রমবিকাশে লবণের একটা বড়ো ভূমিকা ছিলপ্রাণের সূচনা সমুদ্রের লবণ সমৃদ্ধ পরিবেশেআদিম কোষের ভিতরকার তরলে পট্যাশিয়াম ছিল অনেক বেশি, সোডিয়াম অনেক কমসমুদ্রের সোডিয়াম সমৃদ্ধ পরিবেশ থেকে কোষের তরলকে পৃথক করে রেখেছিল কোষপ্রাচীরঝিল্লীময় কোষপ্রাচীরের একদিক থেকে আর একদিকে আয়নের বিচলন প্রাণের একটা মৌলিক প্রক্রিয়া এবং কোষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টির একটা অপরিহার্য অংশ, বিশেষ করে নার্ভাস সিস্টেম অর্থা স্নায়ুতন্ত্রের কোষের মধ্যে
 

Sample text

Sample Text

Sample Text